আদরের ছোটো বন্ধুরা! আমাদের দুই নায়ক – যাদুকর পটুয়া, ড্রয়িঙের মাস্টার পেনসিল আর সব কাজের কাজী, লোহার মানুষ সর্বকর্মা তাদের বৃত্তান্ত, তাদের নানা অ্যাডভেঞ্চার, তাদের যাদু, ইশকুলের খবর শোনাবার জন্যে এবার বিদেশ যাত্রা করল। বইটি পড়ার পর তোমাদের অনেকেই নিশ্চয় ধরতে পারবে যে যাদুর ইশকুলটা খাস জীবন ছাড়া আর কিছুই নয়। সে জীবন কিছু শিখিয়েছে, সবই শেখাবে। তোমরা কি চিঠি লিখে জানাবে বইটা থেকে তোমরা কী বুঝলে, কী শিক্ষা পেলে? নানান জায়গা থেকে ছেলেমেয়েদের চিঠি আমরা পাই অনেক। যাদু ইশকুলের ঠিকানাটা জানতে চায় সবাই। একটি ছেলে লিখেছে: ‘যাদু, ইশকুলের ঠিকানাটা আমায় দিন, নিজের জন্যে একটা বাইসাইকেল, টোটা সমেত বন্দুক আর দুটি দম- দেওয়া খেলনা মোটরগাড়ি আঁকতে চাই।’ আরেকজনের ইচ্ছে একটু অন্য রকম: ‘যাদু ইশকুলে ভর্তি হতে চাই, আমাদের গাঁয়ের জন্যে ঠিক অমনি একটা ইশকুল এ’কে দেব, ফলে সব ছেলেমেয়েই তাতে পড়তে পারবে। তাছাড়া বাড়ির কাছে একটা নদী আঁকতে চাই, ঠাকুমাকে তাহলে বেশি দূর হাঁটতে হবে না, বুড়ো হয়ে গেছেন তো…’ দেখেছ তো, কত রকমের ছেলে আছে, কত রকম তাদের চিঠি। আমাদের ইচ্ছে কী জানো, তোমরা ওই দ্বিতীয় ছেলেটির মতো হও। কেন, সেটা নিজেরাই ভেবে দ্যাখো।
ইউরি দুজকভ
অনুবাদ: ননী ভৌমিক ছবি এ’কেছেন নিকোলাই গ্রিশিন
All credits to sovietbooksinbengali blog
